আমরা বিশ্বাস করি বেটিং শুধু একটি লেনদেন নয় — এটা খেলাধুলার প্রতি ভালোবাসার একটি অংশ। সেই বিশ্বাস থেকেই bee77-এর জন্ম। একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে বাংলাদেশের ক্রিকেট প্রেমী, ফুটবল ভক্ত ও কাবাডির দর্শক — সবাই নিরাপদে, সহজে ও বাংলায় বেটিং উপভোগ করতে পারেন।
২০২০ সালে একটি ছোট্ট দল মিলে স্বপ্ন দেখেছিল — এমন একটি বেটিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করার, যেটা বাংলাদেশের বাস্তবতা বোঝে। যেখানে বিকাশে টাকা দেওয়া যাবে, সব কিছু বাংলায় পড়া যাবে, আর ক্রিকেট ম্যাচ চলার সময় লাইভ বেট করতে গিয়ে ইংরেজি ইন্টারফেসে হোঁচট খেতে হবে না। সেই স্বপ্ন থেকেই Bee77-এর জন্ম।
নামটা নিয়েও একটু বলা দরকার। "Bee" মানে মৌমাছি — পরিশ্রমী, নির্ভরযোগ্য, দলগত। আর "77" মানে আমাদের সাত জন প্রতিষ্ঠাতার সাত রকম দক্ষতার সমন্বয়। মৌমাছি যেমন দল বেঁধে কাজ করে এবং প্রতিটি মধু সংগ্রহ গুরুত্বের সাথে করে — bee77-ও তেমনি প্রতিটি বেটারকে সমান গুরুত্ব দেয়।
"বাংলাদেশের মানুষ খেলাধুলা ভালোবাসে এবং তারা ভালো একটি বেটিং প্ল্যাটফর্মের দাবিদার — এই বিশ্বাসটাই bee77 তৈরির মূল কারণ।"
— Bee77 প্রতিষ্ঠাতা দলশুরুতে শুধু ক্রিকেট বেটিং ছিল। বাংলাদেশ জাতীয় দলের ম্যাচ, BPL — এই দুটো নিয়েই কাজ শুরু। দ্রুতই বুঝলাম যে ব্যবহারকারীরা আরও চান। ফুটবল প্রেমী আছেন যারা রাত জেগে লা লিগা দেখেন, কাবাডি ভক্ত আছেন যারা প্রো কাবাডি লিগ নিয়ে উত্সাহী। তাই ধাপে ধাপে নতুন খেলার বিভাগ যোগ হলো, মোবাইল অ্যাপ এলো, লাইভ ক্যাসিনো এলো — আর এভাবেই bee77 আজকের রূপ নিয়েছে।
আজ bee77-এ দশ লক্ষের বেশি নিবন্ধিত সদস্য আছেন। প্রতিদিন গড়ে পাঁচ লক্ষের বেশি বেট হয় আমাদের প্ল্যাটফর্মে। এই সংখ্যাগুলো শুধু ব্যবসার পরিসংখ্যান নয় — এগুলো মানুষের আস্থার প্রতিফলন। প্রতিটি বেটার যখন bee77-এ টাকা রাখেন, তখন তারা আমাদের উপর বিশ্বাস রাখেন — এটা আমরা কখনো ভুলি না।
২০২৬ সালের মধ্যে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার বেটারদের কাছে bee77 পরিচিত করানো। আঞ্চলিক ভাষা সাপোর্ট, স্থানীয় লিগ কভারেজ এবং আরও সহজ পেমেন্ট পদ্ধতি যোগ করা আমাদের রোডম্যাপে আছে।
Bee77 পরিচালিত হয় একটি আন্তর্জাতিক লাইসেন্সের অধীনে। আমাদের প্রযুক্তি দল মূলত ঢাকাভিত্তিক, তবে অডস ক্যালকুলেশন ও ডেটা ফিড টিম আন্তর্জাতিক পার্টনারদের সাথে কাজ করে। এর ফলে আপনি একই সাথে পান বাংলাদেশি সেবার উষ্ণতা এবং আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তি।
আমরা দায়িত্বশীল বেটিংয়ে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাসী। প্রতিটি নতুন সদস্যকে আমরা বলি — বেটিং মজার জন্য, আয়ের নিশ্চিত উৎস হিসেবে নয়। ডিপোজিট সীমা সেট করার সুবিধা, সেলফ-এক্সক্লুশন অপশন, বেটিং ইতিহাস পর্যালোচনার টুল — এগুলো শুধু নিয়মের কারণে নয়, সত্যিকারের যত্নের কারণে আছে।
নিরাপত্তার বিষয়ে bee77 শূন্য আপোষ করে। SSL এনক্রিপশন, দুই স্তরের যাচাইকরণ (2FA), রিয়েল-টাইম ফ্রড ডিটেকশন — এই ব্যবস্থাগুলো ব্যাকগ্রাউন্ডে সার্বক্ষণিক কাজ করে যাতে আপনার টাকা ও তথ্য সুরক্ষিত থাকে। গত পাঁচ বছরে একটিও বড় নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেনি — এটা আমাদের গর্বের জায়গা।
২০২০ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত। পাঁচ বছরে বাংলাদেশের বৃহত্তম বাংলা বেটিং প্ল্যাটফর্মে পরিণত।
আন্তর্জাতিক গেমিং লাইসেন্সের অধীনে পরিচালিত। সব কার্যক্রম স্বচ্ছ ও নিয়ন্ত্রিত।
সম্পূর্ণ বাংলায় ইন্টারফেস, সাপোর্ট ও কনটেন্ট। বাংলাদেশের বেটারদের প্রথম পছন্দ।
বিকাশ, নগদ, রকেট, ব্যাংক ট্রান্সফার — পাঁচটি স্থানীয় পদ্ধতিতে জমা ও তোলা যায়।
২৪ ঘণ্টা, ৭ দিন বাংলায় লাইভ চ্যাট ও ইমেইল সাপোর্ট। গড় রেসপন্স সময় ৩ মিনিট।
আমাদের পার্থক্য তৈরি করার ছয়টি মূল কারণ
এই চারটি মূল্যবোধের উপর দাঁড়িয়ে আছে Bee77
আমরা যা বলি তা করি। অডস, পেআউট ও নিয়ম — সবকিছু স্বচ্ছ ও পরিষ্কার। কোনো লুকানো শর্ত নেই।
প্রতিটি ব্যবহারকারী আমাদের কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ। সাপোর্ট টিম থেকে শুরু করে প্রোডাক্ট ডিজাইন — সবকিছুতে ব্যবহারকারীর সুবিধা আগে।
বাংলাদেশের বেটিং অভিজ্ঞতাকে আরও ভালো করতে প্রতিনিয়ত নতুন ফিচার ও প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করি আমরা।
দায়িত্বশীল বেটিং আমাদের নীতির কেন্দ্রে। লিমিট সেটিং, সেলফ-এক্সক্লুশন ও সচেতনতা — এগুলো আমরা সিরিয়াসলি নিই।
২০২০ থেকে আজ পর্যন্ত — কীভাবে ছোট্ট একটি স্বপ্ন বাংলাদেশের বৃহত্তম বাংলা বেটিং প্ল্যাটফর্মে পরিণত হলো
মাত্র ক্রিকেট বেটিং নিয়ে শুরু। প্রথম মাসেই পাঁচ হাজার নিবন্ধন — আমরা বুঝলাম বাজার আছে।
বিকাশ ইন্টিগ্রেশনের পর ব্যবহারকারী সংখ্যা তিনগুণ বাড়ল। বাংলাদেশে মোবাইল পেমেন্টের গুরুত্ব তখন থেকেই স্পষ্ট।
ব্যবহারকারীদের অনুরোধে ফুটবল ও কাবাডি যোগ হলো। BPL মৌসুমে রেকর্ড বেটিং ভলিউম।
লাইভ ডিলারের সাথে রুলেট, ব্ল্যাকজ্যাক ও বাকারা চালু হলো। প্ল্যাটফর্ম সত্যিকারের অল-ইন-ওয়ান হলো।
মোবাইল অ্যাপ লঞ্চের প্রথম সপ্তাহেই এক লক্ষ ডাউনলোড। বায়োমেট্রিক লগইন ফিচার সবচেয়ে বেশি প্রশংসিত।
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাংলা বেটিং কমিউনিটি গড়ে উঠল। VIP প্রোগ্রাম ও লয়্যালটি পয়েন্ট চালু হলো।
ই-স্পোর্টস বিভাগ, উন্নত অ্যাকুমুলেটর টুল এবং আরও দ্রুত উইথড্রয়াল — bee77 এখনও বাড়ছে।
সর্বশেষ ৩০ দিনের ব্যবহারকারী প্রতিক্রিয়ার ভিত্তিতে
যারা প্রতিদিন bee77-কে আরও ভালো করার কাজ করে যাচ্ছেন
প্রযুক্তি ও ফিনটেকে ১২ বছরের অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশে মোবাইল পেমেন্টের প্রথম দিকের উদ্যোক্তাদের একজন।
ডিস্ট্রিবিউটেড সিস্টেম ও রিয়েল-টাইম ডেটায় বিশেষজ্ঞ। bee77-এর পুরো প্রযুক্তি অবকাঠামো তার নেতৃত্বে তৈরি।
UX ডিজাইনে দশ বছরের অভিজ্ঞতা। bee77-এর বাংলা ইন্টারফেস ও মোবাইল অ্যাপ তার ডিজাইনের ফল।
ফিনান্সিয়াল কমপ্লায়েন্স ও পেমেন্ট সিস্টেমে বিশেষজ্ঞ। bee77-এর দ্রুত পেমেন্টের পেছনে তার অবদান।
এছাড়াও প্রযুক্তি, সাপোর্ট, মার্কেটিং ও কমপ্লায়েন্স বিভাগে আরও ১৪৬ জন দলের সদস্য প্রতিদিন কাজ করছেন।
Bee77 বিশ্বাস করে বেটিং আনন্দের, ক্ষতির নয়। তাই আমরা শুধু একটি আইনগত বাধ্যবাধকতা হিসেবে নয়, সত্যিকারের যত্নের জায়গা থেকে দায়িত্বশীল বেটিং ফিচারগুলো তৈরি করেছি।
আপনার অ্যাকাউন্টে গিয়ে নিজেই ডিপোজিট সীমা নির্ধারণ করতে পারবেন — দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক। প্রয়োজনে সাময়িক বিরতি বা স্থায়ী সেলফ-এক্সক্লুশনের সুবিধাও আছে। বেটিং নিয়ে কোনো উদ্বেগ হলে আমাদের সাপোর্ট টিম বিচার ছাড়া সাহায্য করে।
দায়িত্বশীল বেটিং সম্পর্কে আরও জানুননিজেই সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করুন
২৪ ঘণ্টা থেকে ৬ মাস পর্যন্ত
সব লেনদেন স্বচ্ছভাবে দেখুন
প্রয়োজনে স্থায়ী বন্ধের সুবিধা
Bee77 ব্যবহার নিয়ে নতুনদের সাধারণ প্রশ্ন